মিরপুরে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের মানববন্ধন

ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ :

 রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নূরুন্নাহার কলি (পল্লবী জোন পরিচালক), আকলিমা বেগম (সাহিত্য ও আইটি বিভাগ সদস্য), ফাতেমা আক্তার হেপি (মহানগরী উত্তর মজলিসে শূরা সদস্য), জলি ইয়াসমিন (সহকারী সেক্রেটারি, ঢাকা মহানগরী উত্তর) এবং অ্যাডভোকেট ফাতেমা বড়ুয়া (সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী)। সভাপতির বক্তব্যে সহকারী সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আমেনা বেগম ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেন। 


এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবি ছিল— 

১.⁠ ⁠দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার বিচার করতে হবে।
২.⁠ ⁠৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
৩.⁠ ⁠নিরপেক্ষভাবে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নূরুন্নাহার সিদ্দিকা বলেন, দেশে নারী ও শিশুরা নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। তিনি এ ঘটনার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। একই সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতাকে দায়ী করে বলেন, “আমরা প্রত্যেকটি ঘটনার বিচার চাই। 



প্রয়োজনে আলাদা আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ও বিচার হয়নি, এখনও সঠিক বিচার নিশ্চিত হচ্ছে না। মানববন্ধনে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করছে এবং জনগণের মতামতকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে না। তিনি বলেন, “আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই, কোনো মব বিচার চাই না।” 

পাশাপাশি তিনি জানান, ইতোমধ্যে আরও চারজন শিশুর ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। বিভিন্ন কার্ড ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমে জনগণের বাড়তি খরচ বাড়ছে; এর পরিবর্তে চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত। বক্তারা শিশু রামিসার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন।