আমদানি সক্ষমতা কমেছে ব্যবসায়ীদের
ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের ফলে আমদানিকারকদের সক্ষমতা কমে গেছে এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর একক ঋণসীমা না বাড়ায় এলসি খুলে আগের মতো পণ্য আনা যাচ্ছে না। এতে রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রমজানকে সামনে রেখে আমদানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত ডলার সরবরাহ ও একক ঋণসীমা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে চাল, ডাল, গম, পিঁয়াজ, ভোজ্য তেল, চিনি, ছোলা, মটর, খেজুর ও মসলাজাতীয় পণ্যের আমদানিতে অগ্রাধিকার এবং শুল্ক–কর যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে মিল-কারখানায় ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শীতকালে জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং আমদানিনির্ভর পণ্য আসতে প্রায় তিন মাস সময় লাগে, যা রমজানে সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করে। তাই বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি, সরবরাহ ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ, অবৈধ মজুত রোধ, টিসিবি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং ভোক্তা পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রমজানকেন্দ্রিক পণ্যের আমদানি কিছুটা বেড়েছে, ডলারের দাম স্থিতিশীল আছে এবং খেজুর আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ১৯ জানুয়ারি টাস্কফোর্সের বৈঠক ডাকা হয়েছে।

মন্তব্য করুন